স্মার্ট ফোনের ৫ টি সমস্যা ও তার সমাধান

0

স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেট পিসির ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করতে গিয়েই সময়ের সাথে সাথে বেশকিছু সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এতে করে হঠাত্ করে অ্যান্ড্রয়েড ধীরগতির হয়ে যায় ও আশানুরূপ পারফরম্যান্স প্রদান করতে পারে না। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সাধারণ কিছু সমস্যার সহজ সমাধানের কথা তুলে ধরা হলো এ লেখায়…

স্টোরেজ ফাঁকা করা:

ব্যবহার করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা মুছে ফেলা অ্যাপ্লিকেশনের ফেলে যাওয়া ফাইলের কারণে অ্যান্ড্রয়েডের স্টোরেজ ক্রমেই কমতে থাকে। অ্যান্ড্রয়েডের বিল্ট-ইন স্টোরেজ বাড়তি থাকলে কাজে সুবিধা হয়। সে কারণে অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে মাইক্রোএসডি কার্ডে রাখতে পারলে ভালো হয়। ক্যামেরার ছবিগুলোও কার্ডে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। আর অ্যাপ্লিকেশনগুলো মুছে দিলে এগুলোর ফেলে যাওয়া ফাইলকেও খুঁজে ফেলে দিলে স্টোরেজ খানিকটা হলেও ফাঁকা হবে।



র‌্যাম ফাঁকা করা:

অ্যান্ড্রয়েডে ২ জিবি বা তার বেশি র্যাম থাকলে র্যাম নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। কিন্তু ১ জিবি বা তার কম র্যাম থাকলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে অনেক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে চালালে অ্যান্ড্রয়েড ধীরগতির হয়ে যায়। সিস্টেম অ্যাপসগুলো মূলতই বিল্ট-ইন স্টোরেজে রাখতে হয়। এর বাইরের অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে তাই কার্ডে রাখা ভালো। র্যামকে গতিশীল রাখার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে ‘ক্লিন মাস্টার’ অ্যাপ্লিকেশন। এটি র্যাম ফাঁকা করার সাথে সাথে ইন্টার্নাল মেমোরিকেও ফাঁকা করতে সহায়তা করে। অ্যাপস আনইন্সটল এবং টেম্পোরারি ফাইল দূর করতেও এটি সহায়তা করে।

পারফরম্যান্স বাড়ানো:

অ্যান্ড্রয়েডের পরফরম্যান্স বাড়াতে প্রথমে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো অ্যান্ড্রয়েড থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন এবং উইডগেটগুলোকে বিদায় জানানো। এগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থেকে প্রচুর রিসোর্স ব্যবহার করে। বিভিন্ন অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক্সকেও এসময় বন্ধ করে রাখা ভালো। ‘সুপার টাস্ক কিলার’ নামের একটি টাস্ক কিলার অ্যাপ্লিকেশন হতে পারে আপনার সহায়। নোভা, নেমাস বা লাইটনিংয়ের মতো লঞ্চারগুলোও অ্যান্ড্রয়েডের পারফরম্যান্স ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। ভালো একটি অ্যান্টিভাইরাসও অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ব্লোটওয়্যার অপসারণ:

অ্যান্ড্রয়েডে প্রি-ইন্সটলড বা আগে থেকেই ইন্সটল করে রাখা অ্যাপ্লিকেশগুলোকে একত্রে বলা হয়ে থাকে ব্লোটওয়্যার। এগুলোকে সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড থেকে একেবারে দূর করা যায় না। তবে এগুলোকে একদমই নিস্ক্রিয় করে রাখা যায় যাতে এগুলো অ্যান্ড্রয়েডের পারফরম্যান্সে কোনো বিরূপ প্রভাব রাখতে না পারে। অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজারের সেটিংস থেকেই এসব অ্যাপ্লিকেশন নিস্ক্রিয় করে রাখা যায়।



সচল থাকুক অ্যান্ড্রয়েড:

ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের আক্রমণ হলে অ্যান্ড্রয়েড অনেক সময় একদমই অপ্রত্যাশিত আচরণ করে থাকে। অনেক সময় হ্যাংও হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ভালো একটি অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টিম্যালওয়্যার ব্যবহার করা আবশ্যক। বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাসগুলোতে অ্যান্ড্রয়েডের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন টুলসও থাকে। তাই দেরি না করে এমন একটি অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল করে নিন।

সোর্সঃ ইত্তেফাক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here