ফটো ট্রানজিস্টারের গঠন

0

প্রিয় পাঠক কেমন আছেন সবাই? এর আগে আমরা ফটো রেজিস্টর সম্পর্কে জেনেছি। তাই আজকে আমরা এখন ফটো ট্রানজিস্টর সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।


ফটো ট্রানজিস্টরের গঠনঃ


ফটো ট্রানজিস্টার হলো এমন একটি ডিভাইস, যাতে আলো বা তাপ পতনের ফলে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ এটি একটি আলো সংবেদনশীল ট্রানজিস্টর, যা প্রকৃতপক্ষে দুটি ফটোডায়োডের সমন্বয়ে গঠিত।

এটি অনেকটা সাধারণ বাইপোলার ট্রানজিস্টরের মত, তবে এতে কোন বেস টার্মিনাল থাকে না। বেস কারেন্টের পরিবর্তে এতে আপতিত আলোক শক্তির দ্বারা কারেন্ট প্রবাহিত হয়।

গঠন প্রণালীঃ

উপরের চিত্রে একটি ফটো ট্রানজিস্টরের গঠন দেখানো হয়েছে। ফটো সেনসিটিভ পদার্থ দ্বারা তৈরি দুইটি এন-টাইপ এবং একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর সাধারণ ট্রানজিস্টরের মত যুক্ত করে ফটো ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।

এতে মাত্র দুটি টার্মিনাল থাকে। একটি কে বলা হয় ইমিটার অপরটি হল কালেক্টর। কিন্তু কোন বেস টার্মিনাল থাকে না। এর স্থলে বেস কালেকটর জাংশনের স্থান খোলা রেখে ঐ খোলা স্থানে বায়ু বিরোধী ল্যান্স সংযুক্ত থাকে।


ফটো ট্রানজিস্টরের কার্যপ্রণালীঃ


উপরের চিত্রে একটি ফটো ট্রানজিস্টর সার্কিট দেখানো হয়েছে। Vcc এর মাধ্যমে এর কালেকটরে রিভার্স এবং ইমিটারে ফরোয়ার্ড বায়াস প্রয়োগ করা হয়েছে।




এই অবস্থায় বেস-ইমিটার জাংশন ফরোয়ার্ড বায়াস প্রাপ্ত হওয়ায় এন-টাইপ ইমিটার হতে ইলেকট্রন পি-টাইপ বেসের দিকে প্রবাহিত হয় এবং বেস কালেকটর জাংশন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

এই সময় বেস কালেকটর জাংশনে আলো পতিত হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইলেকট্রন ইমিটার হতে কালেকটরের দিকে প্রবাহিত হয়ে কারেন্ট প্রবাহের সৃষ্টি করে। এই কারেন্ট এর মান আলোর তীব্রতার উপর নির্ভরশীল।


ফটো ট্রানজিস্টরের ব্যবহারঃ
(Uses of Photo Transister)


  1. রিলে সুইচ হিসেবে
  2. লেভেল নির্দেশকের কাজে
  3. দ্রুত গতি সম্পন্ন স্ক্যানিং এর কাজে
  4. আগুন লাগলে বিপদ সংকেত এর কাজে
  5. কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ড পরার কাজে
  6. আলোক সংবেদী সুইচ হিসেবে
  7. গণনার কাজে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here