টেলি কমিউনিকেশন সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান

0

হ্যালো পাঠকবর্গ আজকে আমরা টেলিকমিউনিকেশন সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু জ্ঞান অর্জন করবো।

টেলিকমিউনিকেশনঃ 
টেলিকমিউনিকেশন শব্দের অর্থ টেলি যোগাযোগ। যোগাযোগ ঘটানোর উদ্দেশ্যে দূরবর্তী স্থানে সিগনাল পাঠানোর প্রক্রিয়াকে টেলিকমিউনিকেশন বলা হয়। যেমন, টেলিফোন কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, টেলিগ্রাফ, ফেক্সিমেইল, রাডার কমিউনিকেশন, রেডিও কমিউনিকেশন, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, অপটিক্যাল ফাইবার, মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশন। টেলিকমিউনিকেশন প্রধানত দুই প্রকার, (ক) লাইন কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক (খ) রেডিও অথবা ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন।




টেলিফোনিঃ
ইহা এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ট্রান্সডিউসার এর মাধ্যমে শব্দকে ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনালে রূপান্তর করে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে প্রেরণ করে, এবং ট্রান্সডিউসার এর মাধ্যমে পুনরায় ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল কে শব্দে রূপান্তর করে। যাহার উভয় প্রান্তে Tx ও Rx থাকে।

মৌলিক যোগাযোগব্যবস্থা বর্ণনাঃ 
কোন সিগনালকে একস্থান হতে অন্যত্র পৌছানোর ব্যবস্থাকে যোগাযোগ বলে। 

  • ইনফরমেশন সোর্সঃ যে ম্যাসেজ কে ট্রান্সমিট করা হবে তাকে ইনফরমেশন বলে। এই ইনফরমেশন গুলো ট্রান্সডিউসার এর মাধ্যমে ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনালে রূপান্তর করা হয়।
  • ট্রান্সমিটারঃ এর সাহায্যে সিগনালকে ক্যারিয়ার ওয়েভ এর সাথে মোডুলেট করে সিগনাল কে দূরবর্তী স্থানে প্রেরণ করা হয়।
  • চ্যানেলঃ এই শব্দটি দ্বারা মিডিয়াকে বোঝানো হয়, যার মধ্যদিয়ে ম্যাসেজ সিগনাল ট্রান্সমিটার থেকে রিসিভার এ গমন করে।
  • রিসিভারঃ রিসিভার ট্রান্সমিটার থেকে প্রেরণকৃত সিগনাল রিসিভ করে ডিমোডুলেশন প্রক্রিয়ায় মূল সিগনাল কে বের করে আনে। এই সিগনাল কে অ্যামপ্লিফায়ার দ্বারা অ্যামপ্লিফাই করে output এ নেয়া হয়।

সিগন্যালঃ 
সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক রাশিকে সিগন্যাল বলে। মানে উপর নির্ভর করে সিগন্যাল কে বিভিন্নভাগে ভাগ করা হয়। যথা- অডিও সিগন্যাল,(২০-২০০০০Hz) ভিডিও সিগনাল,(০-৫.৫MHz) ডাটা সিগন্যাল(১০০Hz-১০০KHz)

চ্যানেল ক্যাপাসিটিঃ
টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় যে মাধ্যমের মধ্যদিয়ে সিগন্যাল একস্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করা হয়, তাকে চ্যানেল বলে। আর কোন চ্যানেলের মধ্যদিয়ে প্রতি সেকেন্ড এ সর্বোচ্চ যত বিট তথ্য অবিকৃত অবস্থায় প্রেরণ করা যায়, তাকে চ্যানেল ক্যাপাসিটি বা বিট রেট বলে। ইহাকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং ইহার একক হল bit/sec or bps.

নয়েজঃ
নয়েজ হচ্ছে unwanted সিগন্যাল যাহা সিগন্যাল এর উপর supperimpose হয়ে গোলোযোগের সৃষ্টি করে। এককথায়, অপ্রয়োজনীয় সিগন্যাল যা মূল সিগন্যাল এর সাথে যুক্ত হয়ে, মূল সিগন্যালকে বিক্রত করে ফলে রিসিভিং প্রান্তে গোলোযোগের সৃষ্টি হয়। ইহা দুই প্রকার- ইন্টারনাল নয়েজ,, এক্সটারনাল নয়েজ।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here